কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণে সফটওয়্যারের গুরুত্ব

কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণে সফটওয়্যার-এর গুরুত্ব অপরিসীম। এটি কম্পিউটারকে ত্রুটিমুক্ত রাখতে, কর্মক্ষমতা বাড়াতে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। সঠিক সফটওয়্যার ব্যবহারের মাধ্যমে কম্পিউটারের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করা যায় এবং এটি দীর্ঘস্থায়ী কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণে সফটওয়্যার অপরিহার্য কারণ এটি নিরাপত্তা (অ্যান্টিভাইরাস), কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি (অপটিমাইজেশন, বাগ ফিক্সিং), ত্রুটি প্রতিরোধ (প্রিভেন্টিভ মেইনটেন্যান্স) এবং নতুন ফিচার যোগ করে কম্পিউটারকে সচল ও সুরক্ষিত রাখে, যা ডাউনটাইম কমায় এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উন্নত করে। অপারেটিং সিস্টেম আপডেট করা, ম্যালওয়্যার প্রতিরোধক ব্যবহার করা এবং নিয়মিত সফটওয়্যার অপটিমাইজেশন সফটওয়্যার নির্ভর রক্ষণাবেক্ষণের মূল দিক। 
কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণে সফটওয়্যারের গুরুত্ব


ঘটনা ১ : রায়না কলেজে ভর্তি হওয়ার পর বাবার কাছে বায়না ধরেছিল একটি ল্যাপটপ কিনে দেবার জন্য। বাবা প্রথম সাময়িকের ফল ভালো হওয়ায় রায়নাকে একটি কোর আই ফাইভ প্রসেসরযুক্ত একটি ল্যাপটপ কিনে দিলেন। ল্যাপটপ পেয়ে এবং এর গতি দেখে রায়না মুগ্ধ। সে কিছুদিনের মধ্যেই অনেক সফটওয়‍্যার ইনস্টল করে ফেলল। কিন্তু রায়না লক্ষ করল তার ল্যাপটপটি আস্তে আস্তে ধীরগতির হয়ে যাচ্ছে। এক বছরের মাথায় এসে রায়না দেখল তার ল্যাপটপটি এতটাই ধীর হয়ে গেছে যে, কাজ করতে গিয়ে রায়না মহা বিরক্ত। কিছুদিন পর সে বাবাকে আরেকটি ল্যাপটপ কিনে দেওয়ার জন্য আবদার করল।

ঘটনা ২ : অংকন তার কম্পিউটারে ইন্টারনেট কানেকশন নিয়েছে। এখন সে প্রায়ই ইন্টারনেটে বিভিন্ন ওয়েব সাইটে প্রবেশ করে। এতে তার লেখাপড়ার অনেক উপকার হচ্ছে। লেখাপড়া ছাড়াও সে বন্ধুদের ই-মেইল করা, গান শোনা ও ছবি দেখার কাজেও ইন্টারনেট ব্যবহার করে। ইদানীং সে দেখছে কম্পিউটারটি কোনো কারণ ছাড়াই মাঝে মধ্যে রিস্টার্ট হয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও মাঝে মাঝে অংকনের ইচ্ছা ছাড়াই বিভিন্ন ওয়েব সাইটে ঢুকে যাচ্ছে। একদিন ইউএসবি পোর্টে পেনড্রাইভ প্রবেশ করালে সে অবাক হয়ে দেখল তার সব ফাইল শর্টকাট হয়ে গেছে। মূল ফাইলগুলো কোথাও দেখা যাচ্ছে না।

উপরের ঘটনা দুটো থেকে তোমরা কী বুঝলে? তোমাদের অনেকের অভিজ্ঞতার সাথে মিলে যাচ্ছে? তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পর্কে এতদিনে তোমাদের অনেক কিছুই জানা হয়ে গেছে। তোমরা নিশ্চয়ই বুঝে গেছো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে প্রসেসর ও সফটওয়্যার নির্ভর যন্ত্রই হলো মূল যন্ত্র। নতুন একটি কম্পিউটার তা ডেস্কটপ, ল্যাপটপ বা ট্যাবলেট যাই হোক না কেন দেখবে খুব ভালো বা দ্রুতগতিতে কাজ করছে। কিন্তু কিছুদিন ব্যবহার করার পরে দেখবে এটি ক্রমশ ধীরগতির হয়ে যাচ্ছে। অর্থাৎ পুরনো হলে যন্ত্রটি কেমন যেন ধীর হয়ে যায়। অনেক সময় একটি কমান্ড দিয়ে অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। মাঝে মাঝে পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে, রাগান্বিত হয়ে আরেকটি নতুন কম্পিউটার কিনে ফেলতে ইচ্ছা করে!

কম্পিউটারকে সচল, নিরাপদ এবং দীর্ঘস্থায়ী রাখতে সফটওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণের গুরুত্ব অপরিসীম। মূলত হার্ডওয়্যারকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করার জন্য সফটওয়্যারই মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে। 

এ অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় তাহলে কী? এখানেই রয়েছে কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণের গুরুত্ব। নিচের শ্রেণিতে তোমরা রক্ষণাবেক্ষণ সম্পর্কে কিছুটা জেনেছ। বেশিরভাগ মানুষেরই আইসিটি যন্ত্রপাতি বা অন্য কোনো যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণের কাজটি করতে ভালো লাগে না। কিন্তু তারপরও এ কাজটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তুমি যদি তোমার আইসিটি যন্ত্র বা কম্পিউটারটি সচল ও পূর্ণমাত্রায় কার্যক্ষম রাখতে চাও তবে অবশ্যই এটির রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে। একাজের জন্য তোমার যন্ত্রপাতি বিশেষজ্ঞ হওয়ার প্রয়োজন নাই। আসলে আমরা এখানে আইসিটি যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে সফটওয়‍্যার ভিত্তিক রক্ষণাবেক্ষণের কথা বলছি।

সফটওয়্যারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা:

 আজকাল প্রায় প্রত্যেক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যারের সাথে সংযুক্ত অবস্থায় অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার দেওয়া থাকে।
 এছাড়াও এখনকার অ্যান্টিভাইরাসগুলো ভাইরাস আক্রমণ করার পূর্বেই তা ধ্বংস করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে।
 ফলে এগুলো পূর্বের অ্যান্টিভাইরাসের তুলনায় অনেক বেশি কার্যকর।
 এখানে একটি কথা অবশ্যই আমাদের মনে রাখতে হবে যে অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার সবসময় হালনাগাদ (Update) রাখতে হবে।
ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আজকাল বিনামূল্যে ইন্টারনেট থেকে অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ডাউনলোড এবং ইনস্টল করে আইসিটি যন্ত্রপাতির নিরাপত্তা অনেকাংশে নিশ্চিত করা যায়। উল্লেখযোগ্য কিছু অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রামের নাম হলো—
 
এভিজি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার (ডাউনলোড ওয়েবসাইট [www.avg.com](http://www.avg.com))
এভিরা অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার (ডাউনলোড ওয়েবসাইট [www.avira.com](http://www.avira.com))
এভাস্ট অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার (ডাউনলোড ওয়েবসাইট [www.avast.com](http://www.avast.com))
 
কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণে সফটওয়্যারের গুরুত্ব অপরিসীম, কারণ এটি হার্ডওয়্যারকে সচল রাখার পাশাপাশি ডিভাইসের সার্বিক নিরাপত্তা ও কার্যক্ষমতা নিশ্চিত করে কম্পিউটার বা আমাদের আইসিটি যন্ত্রগুলোকে ভাইরাসমুক্ত রাখতে আমরা নিচের   দ্ধতিগুলো অনুসরণ করতে পারি—
অন্য যন্ত্রে ব্যবহৃত সিডি, পেনড্রাইভ, মেমোরি কার্ড ইত্যাদি নিজের যন্ত্রে ব্যবহারের পূর্বে ভাইরাস মুক্ত করে নেব (এটি ভাইরাস দ্বারা স্ক্যান করে নেওয়া)।
. অন্য কম্পিউটার থেকে কপি করা সফটওয়্যার নিজের কম্পিউটারে ব্যবহারের আগে সফটওয়্যারটিকে ভাইরাস মুক্ত করা;

 অন্য যন্ত্রের কোনো ফাইল নিজের যন্ত্রে ব্যবহারের পূর্বে ফাইলটিকে ভাইরাস মুক্ত কর
ইন্টারনেট থেকে কোনো সফটওয়্যার নিজের কম্পিউটারে ডাউনলোড করে ইনস্টল করার সময় সতর্ক থাকা। কারণ, ডাউনলোডকৃত সফটওয়্যারে ভাইরাস থাকলে তা থেকে তোমার কম্পিউটারটি ভাইরাস আক্রান্ত হতে পারে
 অন্য কম্পিউটার বা যন্ত্রে ব্যবহৃত সফটওয়্যার কপি করে ব্যবহার না করা।
কম্পিউটারে ভাইরাস প্রবেশ করলে সতর্কতামূলক বার্তা প্রদর্শন করার জন্য অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারটি হালনাগাদ করে রাখা প্রয়োজন;

প্রতিদিনের ব্যবহৃত তথ্য বা ফাইলসমূহ আলাদা কোনো ডিস্ক বা পেনড্রাইভে ব্যাকআপ রাখা, তবে এক্ষেত্রে ডিস্ক বা পেনড্রাইভটি অবশ্যই ভাইরাস মুক্ত হতে হবে;

 ই-মেইল আদান-প্রদানে সতর্কতা অবলম্বন করা। যেমন: সন্দেহজনক সোর্স থেকে আসা ই-মেইল open না করা। করলেও ভাইরাসমুক্ত করে তবেই খোলা উচিত।
গেম ফাইল ব্যবহারের আগে অবশ্যই ভাইরাস চেক করতে হবে।
পণ্যটি চালু হওয়ার পরে সফ্টওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণ করা হয় বিভিন্ন কারণে যার মধ্যে রয়েছে সফ্টওয়্যারের সামগ্রিক উন্নতি, সমস্যা বা বাগ সংশোধন, কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আরও অনেক কিছু । সফ্টওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণ SDLC (সফ্টওয়্যার ডেভেলপমেন্ট লাইফ সাইকেল) এর একটি স্বাভাবিক অংশ।

তোমার আইসিটি যন্ত্রটিতে যদি মাইক্রোসফট কোম্পানির উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে (বিশ্বের বেশিরভাগ কম্পিউটারে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহৃত হয়) থাকে তবে অপারেটিং সিস্টেম সবসময় হালনাগাদ বা আপডেট করতে হবে। ইন্টারনেটে সংযুক্ত থাকলে এ আপডেটগুলো সাধারণত স্বয়ংক্রিয়ভাবে হয়ে থাকে। অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেমও প্রায় একই ধরনের সুবিধা দিয়ে থাকে। তাছাড়া তোমাকে অবশ্যই মাঝে মাঝে রেজিস্ট্রি ক্লিনআপ সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে কম্পিউটারকে সচল ও গতিশীল রাখার জন্য। যদি রেজিস্ট্রি ক্লিনআপ ব্যবহার না কর তোমার কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রটি ঠিকভাবে কাজ করবে না এবং তোমার জন্য অনেক সময় বিরক্তির কারণ হবে।

এছাড়াও প্রত্যেকবার কম্পিউটার ব্যবহার করার সময় বেশকিছু টেম্পোরারি ফাইল তৈরি হয়। অনেকদিন এ ফাইলগুলো না মুছে দিলে হার্ডডিস্কের অনেকটা জায়গা দখল করে রাখে এবং কম্পিউটারের গতিকে ধীর করে দেয়। সে জন্য আমাদের সবসময় উচিত সফটওয়্যারের সাহায্য নিয়ে টেম্পোরারি ফাইলগুলো মুছে দেওয়া। এতে হার্ডডিস্কের বেশ খানিকটা জায়গা খালি হবে আবার কম্পিউটারের কাজ করার গতিও বেড়ে যাবে অনেক।

ইদানীং ইন্টারনেট ব্যবহার করা ছাড়া আইসিটি যন্ত্রের ব্যবহার কল্পনা করা যায় না। ইন্টারনেট ব্যবহার করলে তোমার ইন্টারনেট ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে অনেক কুকিজ ও টেম্পোরারি ফাইল জমা হয়। এতে আইসিটি যন্ত্রটি ক্রমশ ধীর হয়ে যায়। প্রতিদিন সম্ভব না হলেও কিছুদিন পর পর ক্যাশ মেমোরি পরিষ্কার করা একান্ত প্রয়োজন। এ কাজটি করতে সফটওয়্যার তোমাকে সাহায্য করবে।

কম্পিউটারকে সচল, নিরাপদ এবং দীর্ঘস্থায়ী রাখতে সফটওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণের গুরুত্ব অপরিসীম [১.১.৭]। মূলত হার্ডওয়্যারকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করার জন্য সফটওয়্যারই মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে

এন্টিভাইরাস, এন্টি স্পাইওয়্যার ও এন্টি ম্যালওয়্যার ছাড়া বর্তমানে আইসিটি ডিভাইস ব্যবহার করা মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। এ ধরনের সফটওয়্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম যার মাধ্যমে আইসিটি যন্ত্র ব্যবহারকারীগণ ভাইরাসসহ ম্যালওয়্যার বা স্পাইওয়্যারের আক্রমণ থেকে রক্ষা পান। পাশাপাশি নির্ভয়ে তাদের যন্ত্র বা যন্ত্রগুলো ব্যবহার করতে পারেন। সবচেয়ে মজার ব্যাপার, এখন অনেক এন্টিভাইরাস এবং এন্টি ম্যালওয়্যার বা এন্টি স্পাইওয়্যার বিনামূল্যে ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করে ব্যবহার করা যায়। এমনকি এ সফটওয়্যারগুলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে হালনাগাদ (update) করা যায়। হালনাগাদ এন্টিভাইরাস ছাড়া আইসিটি যন্ত্র ব্যবহার করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
সুরক্ষা: অ্যান্টিভাইরাস, অ্যান্টি-স্পাইওয়্যার এবং ফায়ারওয়াল সফটওয়্যার ম্যালওয়্যার ও ভাইরাস থেকে কম্পিউটারকে রক্ষা করে, যা তথ্য সুরক্ষিত রাখতে জরুরি।
কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি: নিয়মিত বাগ ফিক্সিং, কোড অপটিমাইজেশন এবং আপডেটের মাধ্যমে সফটওয়্যার দ্রুত ও কার্যকরভাবে কাজ করে, ফলে কম্পিউটারের সামগ্রিক পারফরম্যান্স বাড়ে।
ত্রুটি প্রতিরোধ (Preventive Maintenance): প্রতিরোধমূলক সফটওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণ ভবিষ্যতের সমস্যা (যেমন স্লো হওয়া) চিহ্নিত করে সমাধান করে, যা অপ্রত্যাশিত ডাউনটাইম কমায়।

কম্পিউটারের কাজ করার গতি বজায় রাখার জন্য প্রায় সব ব্যবহারকারী ডিস্ক ক্লিনআপ ও ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্ট ব্যবহার করে থাকে। এ প্রোগ্রামগুলো সাধারণত অপারেটিং সিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত থাকে। এ সফটওয়্যার দুটি হার্ডডিস্কের জায়গা খালি করে এবং ফাইলগুলো এমনভাবে সাজায় যাতে কম্পিউটার গতি বজায় রেখে কাজ করতে পারে।

অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার তার পূর্বজ্ঞান ব্যবহার করে সংক্রমিত অবস্থান থেকে আসল প্রোগ্রামকে ঠিক করে। একটি ভালো অ্যান্টিভাইরাস সাধারণভাবে প্রায় সব ধরনের ভাইরাস নির্মূল করতে পারে। নতুন ভাইরাস আবিষ্কৃত হওয়ার সাথে সাথে অ্যান্টিভাইরাস Update করলে এর শক্তি ও কার্যক্ষমতা প্রতিনিয়ত উন্নত হয়। ফলে নতুন নতুন ভাইরাস ধ্বংস করতে পারে। বর্তমানে অনেক অ্যান্টিভাইরাস রয়েছে যেগুলো ভাইরাস চিহ্নিত করে, নির্মূল করে এবং প্রতিরোধ করে।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url