টেবিল বা সারি যোগ করা
টেবিল বা সারি যোগ করার জন্য ওয়ার্ড ২০০৭ এর রিবনের
(১) **Insert** ট্যাবে ক্লিক করে
(২) **Table**-এ ক্লিক করতে হবে।
(৩) **Insert Table**-এ ক্লিক করতে হবে। তখন একটি ডায়ালগ বক্স আসবে। সেখানে কলাম ও সারি (রো) সংখ্যা ঠিক করতে হবে।
ছবি যোগ করা
ডকুমেন্টে ছবি যোগ করে ডকুমেন্টকে আরও সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা যায়। যেমন—এ বইয়ে তোমরা লেখার পাশাপাশি অনেক ছবি দেখতে পাচ্ছ। এগুলো যোগ করার জন্য ওয়ার্ড ২০০৭-এর রিবনের **Insert** ট্যাবে ক্লিক করতে হবে। তারপর **Illustrations** গ্রুপে **Picture**-এ ক্লিক করতে হবে। তখন একটি ডায়ালগ বক্স আসবে। সেখানে তোমরা তোমাদের ছবি নির্বাচন করে **Insert**-এ ক্লিক করলে ডকুমেন্টে ছবি যুক্ত হয়ে যাবে। এছাড়া Illustrations গ্রুপে **Clip Art**, **Shapes**, **SmartArt**, **Chart** যোগ করার সুবিধা রয়েছে।
ওয়ার্ড আর্ট যোগ করা
Insert ট্যাব থেকে তোমরা ইচ্ছা করলে বিভিন্ন স্টাইলের লেখা যোগ করতে পার। এজন্য Insert ট্যাবের টেক্সট গ্রুপে **WordArt**-এ ক্লিক করে তোমাদের পছন্দমতো স্টাইল নির্বাচন করতে হবে। তারপর যে ডায়ালগ বক্স আসবে তাতে লেখা লিখে দিলে তা কাঙ্ক্ষিত স্টাইলে প্রদর্শন করবে।
মার্জিন ঠিক করা
ডকুমেন্টের লেখার মার্জিন ঠিক করতে হলে রিবনের **Page Layout** ট্যাবে ক্লিক করতে হবে। তারপর **Margins** অপশনে ক্লিক করে মার্জিন ঠিক করে নিতে হবে। মার্জিন অপশনে ক্লিক করলে মার্জিন নির্ধারণের বিভিন্ন অপশন দেখাবে। সেখান থেকে তোমাদের পছন্দমতো মার্জিন নির্ধারণ করে দিতে পার অথবা **Custom Margins**-এ ক্লিক করে নিজস্ব মার্জিন ব্যবহার করতে পার।
প্যারাগ্রাফের লাইন ব্যবধান নির্ধারণ করা
ডকুমেন্টের প্রতিটি লাইনের মধ্যে কী পরিমাণ ব্যবধান হবে তা নির্ধারণ করতে রিবনের **Home** ট্যাবে ক্লিক করতে হবে। এরপর **Paragraph** গ্রুপে লাইন স্পেসিং অপশন থেকে লাইনের আগে ও পরে কত পয়েন্ট ফাঁকা থাকবে তা নির্ধারণ করে দিতে হবে।
ডকুমেন্ট টাইপ করার পরও এ কাজটি করা যায়। সেক্ষেত্রে প্রথমে ডকুমেন্টের যে অংশের লাইন ব্যবধান ঠিক করতে হবে তা নির্বাচন করতে হবে। তারপর উপরের বর্ণনা অনুযায়ী লাইন ব্যবধান ঠিক করে দিতে হবে।
ডকুমেন্ট প্রস্তুত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো এর প্রতিটি পৃষ্ঠায় নম্বর দেওয়া। এ কাজটি করার জন্য রিবনের **Insert** ট্যাবে **Header & Footer** গ্রুপে **Page Number**-এ ক্লিক করে নির্দিষ্ট অপশন বেছে নিতে হবে। তোমরা তোমাদের পছন্দমতো পৃষ্ঠার উপরে বা নিচে পৃষ্ঠার নম্বর যোগ করতে পার।
বানান পরীক্ষা ও সংশোধন
ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যারের একটি বড় সুবিধা হচ্ছে বানান পরীক্ষা। ডকুমেন্টের কোথাও কোনো বানান ভুল হলে তা পরীক্ষা এবং সংশোধন করা যায়। ব্যাকরণও শুদ্ধ করা যায় অনেক ক্ষেত্রে। বানান পরীক্ষার ক্ষেত্রে নতুন শব্দ প্রোগ্রামের অভিধানে সংযোজন করা যায়। বানান পরীক্ষার সময় ভুল শব্দ বের করে সম্ভাব্য কিছু শুদ্ধ শব্দ উপস্থাপন করে, যাতে ব্যবহারকারী সঠিক শব্দটি বেছে নিতে পারে।
এ সময় অভিধানের ডিকশনারি ভাষা নির্ধারণ করে নিতে হয়। তা না হলে আপাত শুদ্ধ বানান ভুল দেখাতে পারে। যেমন, যদি কোনো ওয়ার্ড প্রসেসরে অভিধানে আমেরিকান ইংরেজি ভাষা নির্ধারণ করা থাকে এবং ডকুমেন্টে **Colour** শব্দটি লেখা হয়, তবে তা ভুল বানান হিসেবে দেখাবে। কারণ, Colour বানানটি ব্রিটিশ ইংরেজি; আমেরিকান ইংরেজি অনুসারে এটি হবে **Color**।
এছাড়া বৈজ্ঞানিক নাম, ব্যক্তি বিশেষ, সংগঠন বা জায়গার নাম ইত্যাদিকে স্পেলচেকার ভুল হিসেবে চিহ্নিত করে। এসব শব্দ ভুল না শুদ্ধ তা ব্যবহারকারীকেই নির্ধারণ করতে হয়।
স্প্রেডশিট ও আমার হিসাব-নিকাশ
তোমরা অষ্টম শ্রেণিতে স্প্রেডশিট বিশ্লেষণ সফটওয়্যারের সাথে পরিচিত হয়েছ। এর বৈশিষ্ট্যগুলোর কথা মনে আছে তো? চল দেখি স্প্রেডশিট বিশ্লেষণের বৈশিষ্ট্যগুলো—
স্প্রেডশিট বিশ্লেষণের বৈশিষ্ট্যসমূহ—
* বিভিন্ন রকমের সংখ্যা বা অক্ষরভিত্তিক উপাত্ত নিয়ে কাজ করা যায়
* যেকোনো ধরনের হিসাবের জন্য সুবিধাজনক
* কলাম ও সারি থাকার কারণে উপাত্ত শ্রেণিকরণ সহজ
* সূত্র ব্যবহারের সুযোগ থাকায় অনেক বেশি উপাত্ত নিয়ে কাজ করা যায়
* বিভিন্ন ফাংশন সুবিধাসহ ব্যবহার করে সহজে উপাত্ত বিশ্লেষণ করা যায়
* আকর্ষণীয় গ্রাফ, চার্ট ব্যবহার করে উপাত্ত উপস্থাপন করা যায়
